নতুন অফিসে আজকে আদনানের প্রথম দিন। লিফটে উঠে বাটন চাপার সময় আদনান বুঝতে পারলো এই বাটনগুলোর মধ্যে কোথাও একটা গড়বড় আছে। সুইচবোর্ডের দিকে তাকিয়ে লক্ষ্য করলো জি, ওয়ান, টু, থ্রি, ফাইভ বাটনগুলো আছে। কিন্তু ফোর লেখা বাটনটা লিফটে নেই। বেশ কিছুদিন পর সে আরেকটা বিষয় লক্ষ্য করে, লিফটে করে কেউ পাঁচতলায় নামে না। কারণ ফোর লেখা বাটন নেই লিফটে। তাই পাঁচতলায় লিফট থামে না। আবার পাঁচতলা থেকেও কেউ কখনো লিফটে ওঠেও না।
লিফট রহস্য সমাধান না করা পর্যন্ত আদনানের মনের ভেতর চলতে থাকা খচখচানিটা দূর করা সম্ভব নয়। তাই আদনান পাঁচতলায় ওঠার সিঁড়ি খুঁজে বের করে। কিন্তু পাঁচতলার ফ্লোরে পৌঁছানোর ঠিক আগে দেয়াল বরাবর সিমেন্ট দিয়ে ঢোকার মুখটা করা। তার মানে কোনভাবেই পাঁচতলার ফ্লোরে ঢোকা যাবে না।
অফিস শেষে লিফটে উঠে আদনান নিচে নামার জন্য গ্রাউন্ড ফ্লোরের বাটন চাপে। দরজা বন্ধ হওয়ার তিন সেকেন্ডের মাথায় লিফটের ভেতরের আলো নিভে যায়। লিফট ততোক্ষণে চলা শুরু করেছে। হঠাৎ ঝাঁকি খেয়ে থেমে গেল। লিফটের দরজা খুলে গেলে সে বাইরে নেমে আসে। ততোক্ষণে লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। পাশের দেয়ালে ‘ফোর্থ ফ্লোর’ লেখাটার উপর চোখ যাওয়াতে সে পুরোপুরি জমে গেল। পেছনে কারো পায়ের শব্দ শুনতে পেল আদনান। কেউ একজন তার দিকে এগিয়ে আসছে। কে সেই?



Reviews
There are no reviews yet.