বইয়েরভূমিকা থেকে:
শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। মানুষকে কুফরিতে লিপ্ত করে জাহান্নামী
বানানোই তার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তাই সে যখন কোন মানুষের কাছে যায়,তখন তার প্রথম উদ্দেশ্য থাকে মানুষটির ঈমান কেড়ে নেয়া। এ ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ
হলে সে লোকটিকে নেক আমল বিমুখ করতে সচেষ্ট হয়। যদি তাও করতে না
পারে, তাহলে ব্যক্তির কৃত নেক আমলগুলো কিভাবে বাতিল করা যায়, সে ঐ
চেষ্টায় রত থাকে। আর নেক আমল বাতিল করার অন্যতম নিকৃষ্ট পন্থা হলো-
বিদ’আতে লিপ্ত করা।
বিদ’আত-সুন্নাতের বিপরীত। এটি দ্বীনের মাঝে নতুন সংযোজন বা বিয়োজনের
আরবী পরিভাষা। একজন মুসলিম তার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূল (সা.) কে
কদমে কদমে, পায়ে পায়ে হুবহু অনুসরণ করবে এটাই দ্বীনের একান্ত দাবী।
কিন্তু বিদ’আত এতে ব্যত্যয় ঘটায়। বিদ’আতে জড়িত ব্যক্তির সুন্নাতের স্বাদ নষ্ট
হয়ে যায়। রাসূল (সা.) কে হুবহু অনুসরণে সে তৃপ্তি পায় না। বরং সুন্নাহ
বিবর্জিত আমলে সে আলাদা একটা মজা অনুভব করে।
বিদ’আত যে একটি অপরাধ, তা নিয়ে কোন মুসলমানই দ্বিমত করে না।
এজন্যই তো চরম বিদ’আতী ব্যক্তিও নিজেকে বিদ’আতী স্বীকার করতে চায় না।
তবে স্বীকার করুক বা না করুক, কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা যে আমলটি প্রমাণিত
হবে না, তা-ই বিদ’আত হিসেবে সাব্যস্ত হবে। আর এমন বিদ’আতী আমল
যতই সুন্দর ও আকর্ষণীয় হোক না কেন, তা শরীয়াতের কাছে নেক আমল
হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।



Reviews
There are no reviews yet.