ওয়ার অ্যান্ড পিস ইন ইসলাম
ওয়ার্ক টুগেদার
কন্যাসন্তান প্রতিপালনে ৭০০ টিপস
লেখক : ড. সুলাইমান আস সুকাইর
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : সন্তান প্রতিপালন
অনুবাদক : আবু আব্দুল্লাহ আহমদ
পৃষ্ঠা : 160, কভার : পেপার ব্যাক
মুসতাকিম চেনার পরেও তার প্রতি উদাসীন থাকলে তাকে সতর্ক করবেন। পথভ্রষ্টকে সঠিক পথের দিশা দেবেন। এ সবই অভিভাবকের দায়িত্ব। অনুরূপভাবে আমাদের প্রতিপালনাধীন মেয়েদের সঠিক পথে পরিচালিত করার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের মেয়েরা পবিত্রতা, লজ্জাশীলতা ও নিষ্কলুষতার ঠিকানা। কোমলতা ও নম্রতার আধার। তাই তাদের অভিভাবকত্বে একটু বেশিই সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
একটি মেয়ে নিজের ভেতর ভিন্ন ভিন্ন কয়েকটি সত্তা পোষণ করে : মমতাময়ী মা, স্নেহশীল বোন, প্রেমময় স্ত্রী, সদাচারী মেয়ে…। পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মেয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ছোটবেলা থেকে মেয়েকে সেভাবে গড়ে তুলতে হয়।
কফিন রোড
কুরআনিক দুআ
গালিবের কবিতা
গোল্ড মাইন
জান্নাত চির সুখের ঠিকানা
লেখক : ড. খালিদ আবু শাদি
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
পৃষ্ঠা : 288, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st published 2021
আপনারা কি এমন কোনো মুসাফিরকে দেখেছেন, যিনি আগামীকাল বা পরের দিন নিজ দেশে ফিরবেন, অথচ তিনি নিজের সফরের বাসস্থান বা সেই (অস্থায়ী অবস্থানের) জায়গাটিকে খুব কারুকার্যের মাধ্যমে সজ্জিত করছেন?! মানুষ কি বলবে না, তার মাথায় সমস্যা আছে। তাকে কি লোকে নির্বোধ আখ্যা দেবে না?! এটি কি সর্বোত্তম নয় যে, সে নিজের সমুদয় সম্পদ জমা করে রাখবে এবং নিজ দেশে গিয়ে তা উপভোগ করবে?! সুতরাং যে এ কথা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, সে জান্নাতের পথের মুসাফির এবং দুনিয়াতে তার অবস্থান ক্ষণস্থায়ী, তার সামনে (জান্নাতলাভের) সাধনার বিকল্প কোনো পথ নেই। সে তার দৃষ্টি আসল বাড়ির দিকেই নিবদ্ধ রাখবে। সে অচিরেই সে গৃহের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করবে এবং ভিনদেশকে বিদায় জানাবে। সে যথাসম্ভব দুনিয়া থেকে নফল ইবাদত ও আনুগত্যের পুঁজি সঞ্চয় করবে; যেন প্রতিদান দিবসে জান্নাতে প্রশান্তি লাভ করতে পারে।
জান্নাতে একদিন
লেখক : ড. মুস্তফা হুসনি
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
অনুবাদক : আমীমুল ইহসান
পৃষ্ঠা : 132, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2022
যখনই একটু সুযোগ পাই, কল্পনার পাখায় ভর করে উড়ে যাই স্বপ্নের জান্নাতে—একটি আলো-ঝলমলে দিন কাটাব বলে । জান্নাত সুখ ও সমৃদ্ধির এক অনন্ত কানন, যেখানে আমি খুঁজে পাব হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জন যাদের বিরহে বিষণ্নতায় ছেয়ে ছিল আমার দুনিয়ার জীবন । পৃথিবীতে কত কিছু পাইনি আমি; পূরণ হয়নি কত স্বপ্ন—কত প্রত্যাশা । কত মধুর তামান্না পুঁতে রেখেছি হৃদয়ের সবুজ আঙিনায় ।
কিন্তু জান্নাত? স্বপ্নের সেই জগতে নিয়মের কোনো বালাই নেই—আছে উদ্দাম ঘুরে বেড়ানোর অফুরান আনন্দ আর ইচ্ছেডানা মেলে উড়ে চলার অনন্ত স্বাধীনতা । স্বপ্নের সেই কাননে পাপড়ি মেলে হেসে উঠবে সেই সব ভালোবাসার কলি, যার সৌরভে আমোদিত হওয়ার প্রতীক্ষায় ব্যাকুল হয়ে দিন গোনে আমার বিরহী হৃদয় । অনন্ত সুখের সেই দেশে আবার মাথা তুলবে প্রেমের সতেজ অঙ্কুর, আবার ডালপালা ছড়াবে মিলনের কচি চারাগুলো— শাখায় শাখায় ছড়িয়ে পড়বে পত্রপল্লবের সবুজ আগুন ।
প্রিয় পাঠক, তাহলে চলুন আমাদের সাথে, সুখ ও সমৃদ্ধির দেশে, বেহেশতের সবুজ আঙিনায় । আসুন, হাদিসের আলোকে শুনি জান্নাতের দাস্তান যাতে আবার নতুন করে আমাদের হৃদয়ে জেগে ওঠে চিরস্থায়ী বসতভিটায় ফেরার অমলিন তামান্না ।
জাহান্নাম অসীম আজাবের হাতছানি
লেখক : ড. খালিদ আবু শাদি
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
পৃষ্ঠা : 208, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st published 2021
অনুবাদক: আব্দুল্লাহ ইউসুফ
অনেক সময় আগুন স্পর্শে স্মরণীয় প্রভাব বিদ্যমান থাকে। উমর বিন খাত্তাব রা.-এর সামনে আগুন জ্বালানো হলে তিনি নিজের হাত তার কাছাকাছি করে বললেন, ‘হে খাত্তাবের বেটা, তুমি কি এই আগুনে ধৈর্যধারণ করতে পারবে?’ এ রকম আরেক সাহাবির নাম হলো, আহনাফ বিন কাইস; যিনি খুব হিসাব-নিকাশ করে চলাফেরা করতেন। তিনি রাতের বেলা বাতির কাছে এসে নিজের আঙুল তাতে ধরে বলতেন, ‘ধ্বংস! ধ্বংস!’ তারপর বলতেন, ‘তুমি কেন অমুক দিন এই কাজটি করলে? তুমি অমুক দিন কেন এই কাজটি করলে?’এভাবে বইয়ের পরতে পরতে মিলবে জাহান্নাম নিয়ে সতর্কবাণী এবং এ থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়।

