আমরাই গড়ব আগামীর পৃথিবী
লেখক : ড. খালিদ আবু শাদি
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : ইসলামি বিবিধ বই
পৃষ্ঠা : 144, কভার : পেপার ব্যাক
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ ইউসুফ
রাত যতই দীর্ঘ হোক, প্রভাত তাকে বিদীর্ণ করবেই। আলোর সেনারা অন্ধকারের সেনাদের দূর করবেই। অচিরেই উম্মাহ অপদস্থতা ও লাঞ্ছনার পোশাক খুলে ফেলবে। এর পরিবর্তে মর্যাদা ও গৌরবের পোশাক পরিধান করবে। একসময় নেতৃত্ব ছিল পশ্চিমাদের হাতে। এরপর নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য ইসলামের আগমন ঘটল। কিন্তু যখন মুসলিমরা শক্তির উৎস ও মর্যাদার চাবিকাঠি থেকে শূন্য হয়ে গেল, তখন আবার নেতৃত্ব পশ্চিমাদের হাতে চলে গেল। এখন আবার মুসলিমরা ইসলামের দিকে ফিরে আসছে। তারা নতুনভাবে আবার নেতৃত্বের পতাকা বহন করবে। এখন সময় আমাদের অনুকূলে, আমাদের প্রতিকূলে নয়।…
জাহান্নাম অসীম আজাবের হাতছানি
লেখক : ড. খালিদ আবু শাদি
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
পৃষ্ঠা : 208, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st published 2021
অনুবাদক: আব্দুল্লাহ ইউসুফ
অনেক সময় আগুন স্পর্শে স্মরণীয় প্রভাব বিদ্যমান থাকে। উমর বিন খাত্তাব রা.-এর সামনে আগুন জ্বালানো হলে তিনি নিজের হাত তার কাছাকাছি করে বললেন, ‘হে খাত্তাবের বেটা, তুমি কি এই আগুনে ধৈর্যধারণ করতে পারবে?’ এ রকম আরেক সাহাবির নাম হলো, আহনাফ বিন কাইস; যিনি খুব হিসাব-নিকাশ করে চলাফেরা করতেন। তিনি রাতের বেলা বাতির কাছে এসে নিজের আঙুল তাতে ধরে বলতেন, ‘ধ্বংস! ধ্বংস!’ তারপর বলতেন, ‘তুমি কেন অমুক দিন এই কাজটি করলে? তুমি অমুক দিন কেন এই কাজটি করলে?’এভাবে বইয়ের পরতে পরতে মিলবে জাহান্নাম নিয়ে সতর্কবাণী এবং এ থেকে পরিত্রাণ পাবার উপায়।
জান্নাত চির সুখের ঠিকানা
লেখক : ড. খালিদ আবু শাদি
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
পৃষ্ঠা : 288, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st published 2021
আপনারা কি এমন কোনো মুসাফিরকে দেখেছেন, যিনি আগামীকাল বা পরের দিন নিজ দেশে ফিরবেন, অথচ তিনি নিজের সফরের বাসস্থান বা সেই (অস্থায়ী অবস্থানের) জায়গাটিকে খুব কারুকার্যের মাধ্যমে সজ্জিত করছেন?! মানুষ কি বলবে না, তার মাথায় সমস্যা আছে। তাকে কি লোকে নির্বোধ আখ্যা দেবে না?! এটি কি সর্বোত্তম নয় যে, সে নিজের সমুদয় সম্পদ জমা করে রাখবে এবং নিজ দেশে গিয়ে তা উপভোগ করবে?! সুতরাং যে এ কথা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, সে জান্নাতের পথের মুসাফির এবং দুনিয়াতে তার অবস্থান ক্ষণস্থায়ী, তার সামনে (জান্নাতলাভের) সাধনার বিকল্প কোনো পথ নেই। সে তার দৃষ্টি আসল বাড়ির দিকেই নিবদ্ধ রাখবে। সে অচিরেই সে গৃহের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করবে এবং ভিনদেশকে বিদায় জানাবে। সে যথাসম্ভব দুনিয়া থেকে নফল ইবাদত ও আনুগত্যের পুঁজি সঞ্চয় করবে; যেন প্রতিদান দিবসে জান্নাতে প্রশান্তি লাভ করতে পারে।

